ষ্টাফ রিপোর্টার : নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের খাজা মার্কেট (প্রসন্ননগর) এলাকায় মামুন গং কর্তৃক সেলিনা নামে এক মহিলাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে সালাম মিয়ার স্ত্রী সেলিনা বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
তাতে তিনি উল্লেখ করেন, বিবাদী ১। মামুন পিতা- মৃতঃ জিল্লক, ২। ইদ্রিস আলী পিতা- অজ্ঞাত, ৩। মাছুম পিতা- আঙুর উদ্দিন, ৪। মাইমুনা ৫। সেলিনা ৬। আকলিমা সর্বপিতা- মামুন, সর্বসাং- খাজা মার্কেট, প্রসন্ননগর, বক্তাবলী বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, উক্ত বিবাদীগণ একদল উশৃঙ্খল ও খারাপ প্রকৃতির লোক। উক্ত ১নং বিবাদীর সহিত আমার ছেলে মোঃ মামুন (২৮) এর পূর্ব শত্রুতা রহিয়াছে। সেই জের ধরিয়া ১৭/০৯/২০২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ০৩.০০ ঘটিকার সময় ১নং বিবাদী আমাকে খাজা মার্কেট বাজারে পাইয়া আমার পথরোধ করে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আমি বিবাদীকে গালিগালাজ করিতে নিষেধ করিলে উক্ত ১ হইতে ৩নং বিবাদীগণ আমার উপর ক্ষিপ্ত হইয়া আমাকে এলোপাথারী মারধর করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। ১নং বিবাদী আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার গলায় থাকা ওড়না গলায় প্যাচাইয়া শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করে এবং আমার পরিহিত বোরকা টানা হেচড়া করিয়া ছিড়িয়া ফেলে। ২ ও ৩নং বিবাদীদ্বয় আমার বুকে ও তলপেটে কিল, ঘুষি ও লাথি মারিতে থাকে। এমতাবস্থায় ৪ হইতে ৬নং বিবাদীনিগণ আসিয়া আমার চুলের মুঠি ধরিয়া টানা হেচড়া করে আমাকে এলোপাথারী মারধর করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। ৩নং বিবাদী আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাহার হাত দ্বারা আমার গলা চাপিয়া শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করে। ২নং বিবাদী আমার একটি স্যামসাং মোবাইল, যাহার মূল্য- ২৫,০০০/- (পঁচিশ হাজার) টাকা নিয়া যায়। তাহাতেও বিবাদীগণ ক্ষান্ত না হইয়া আমাকে খাজা মার্কেট বাজারের একটি গাছের সাথে আমার ওড়না দ্বারা বাঁধিয়া সকল বিবাদীগণ এলোপাথারী মারপিট করিয়া জখম করে। ১ হইতে ৩নং বিবাদীগণ আমার পরিহিত বোরকা ও জামা টানা হেচড়া করিয়া জনসম্মুখে আমার শ্লীলতাহানী ঘটায়। ১নং বিবাদী তাহার মোবাইলে আমাকে বাধিয়া রাখার ছবি তুলিয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়িয়া দেয়। এমতাবস্থায় আশপাশের লোকজন আসিয়া বিবাদীদেরকে বাধা নিষেধ করিলে উক্ত ১ হইতে ৬নং বিবাদীগণ আমাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি ও জীবন নাশের হুমকি প্রদান করে এবং আরও বলে যে, আজ হোক কিংবা কাল হোক তোকে সহ তোর স্বামী ও ছেলেকে যেখানে পাইবো জীবনে শেষ করিয়া ফেলাইবো এবং এই ঘটনার বিষয়ে কোন প্রকার বাড়াবাড়ি করিলে তোদেরকে যেকোন মিথ্যা মামলায় ফাসাইয়া দিব মর্মে হুমকি প্রদান করে। উক্ত বিবাদীগণ যেকোন সময় আমার, আমার স্বামী ও ছেলের আরও বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করিতে পারে বলিয়া আমার আশঙ্কা হইতেছে।
উল্লেখিত ঘটনা মর্মে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভূক্তভোগী।
