প্রভাত বার্তা.কম : কখনো প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী, কখনো স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সহকারী অফিসার, আবার কখনো অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল এসপি)—এমন নানা পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে ওয়াহিদুল ইসলাম সেলিম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সম্পাদিত বা ভুয়া ছবি ব্যবহার করে নিজেকে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিতেন সেলিম। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভূইঘর এলাকার সাধারণ মানুষকে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চাকুরি এবং ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ।
ভুক্তভোগীরা জানান, সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে কারও কাছ থেকে ১৫ লাখ, কারও কাছ থেকে ১০ লাখ, আবার কারও কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। এভাবে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন তাঁরা।
এ ঘটনায় প্রতারিত ব্যক্তিরা ফতুল্লা মডেল থানায় প্রায় ১০ থেকে ১৫টি অভিযোগ করেছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।পরবর্তীতে টাকা ফেরত চাইলে নানা ধরনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তারা।
তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার শিকার হয়ে তাঁরা আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
এদিকে, পুলিশ সুপার বরাবর দায়ের করা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এখন তাঁরা প্রশাসনের সহযোগিতায় অভিযুক্ত ওয়াহিদুল ইসলাম সেলিমকে আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন।
ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন—সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে এমন প্রতারণার অভিযোগ কীভাবে চলতে পারে?
ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া অর্থ উদ্ধারের পাশাপাশি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাঁদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক।
প্রতারক সেলিমকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশে সোপর্দ করেছে ভূক্তভোগীরা।
