ষ্টাফ রিপোর্টার:একটি জেলার সর্বোচ্চ আইন প্রশাসক হলেন জেলা প্রশাসক। সেই জেলা প্রশাসকই আইনকে তোয়াক্কা না করে ০৩ নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান কে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ায় সর্বোচ্চ চলছে সমালোচনা।
বক্তাবলী ইউনিয়নবাসী সুত্রে জানা যায়,প্যানেল চেয়ারম্যানের এক হিসেবে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন ১নং ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুর রশিদ। তিনি দীর্ঘ ৯ মাস দায়িত্ব পালন করেন। আইনী জটিলতার কারণে রশিদ চেয়ারম্যান তার দায়িত্ব পালনে বাঁধা থাকায় নিয়ম মোতাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান -০২ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।কিন্তু সেই আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির।তিনি প্যানেল চেয়ারম্যান-০২ মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন কে নিয়োগ না দিয়ে রহস্যজনক কারনে প্যানেল চেয়ারম্যান -০৩ পিংকি আক্তার কে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছেন।
তথ্যাসন্ধানে জানা যায়, সোমবার( ২৭ এপ্রিল) বিকালে জেলা প্রশাসক রায়হান কবির স্বাক্ষরিত বর্তমান ০৩ (তিন নম্বর) প্যানেল চেয়ারম্যান পিংকি আক্তারকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
অথচ দুই নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে কোনরকম মামলা,মোকদ্দমা বা অযোগ্যতার তথ্য না পাওয়া গেলেও তাকে প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়োগ দেন নি জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির।
প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়োগের ক্ষেত্রে চরম নিয়ম ভংঙ্গ করেছেন বলে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন অনেকে।
২নং প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন,আমার বিরুদ্ধে কোন মামলা,অভিযোগ, জিডি নাই।আমার নামে মিথ্যা তথ্য দেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজউদ্দিন এর মুঠোফোন ০১৩০৭৭১৬৫@@ নাম্বারে একাধিক বার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির মুঠোফোনে জাগো নারায়ণগঞ্জ ২৪.কমকে বলেন, ১ এবং ২ নং প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা থাকায় ৩ নং প্যানেল চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তাছাড়া মন্ত্রনালয়ের একটি চিঠিও রয়েছে আমাদের কাছে। সেই চিঠির বদৌলতেই ৩নং প্যানেল চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।