মোহাম্মদ আল মনির : নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটীতে গত ২২ তারিখ বুধবার উড়াল সেতু নির্মাণাধীন অবস্থায় নিচে কাজ করার সময় গ্যাস লাইন লিকেজ হয়ে পাশে থাকা শাহজালাল থাই এ্যালুমিনিয়ামে আগুন ধরে যায় এতে সেই দোকানের কর্মচারী ইয়াসিন আগুনে দগ্ধ হলে তাকে জাতীয় বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে নেয়া হয়।সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রবিবার মৃত্যু বরন করেন।।
পঞ্চবটী -মুক্তার পুর উড়াল সেতু নির্মাণাধীন কর্তৃপক্ষ উড়াল সেতু ও রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে চরম উদাসীন ও খামখেয়ালিভাবে কাজ করে যাচ্ছে যা জন দূর্ভোগ, দূর্ঘটনা ও এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য মৃত্যু ফাঁদ হয়ে দেখা দিয়েছে। এদের উদাসীনতার কারণে যত্রতত্র দূর্ঘটনা ও অসতর্ক কাজের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনায় গ্যাস লিকেজ আগুন ধরে জান মালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় পঞ্চবটী মোড়ে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন ধরে শাহজালাল থাই এ্যালুমিনিয়ামে আগুন ধরে এতে দোকানের প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা মূল্যের মালামাল নষ্ট হয় এবং দোকানের কর্মচারী আগুনে দগ্ধ ইয়াসিন (২০) জাতীয় বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করেন।
এলাকার সাধারণ মানুষ এই ধরনের উন্নয়নের হাত থেকে বাঁচতে চায়। যে উন্নয়ন সাধারণ মানুষের জীবন কেড়ে নেয়, যে উন্নয়ন মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় সেই উন্নয়ন দিয়ে কি হবে। পঞ্চবটী থেকে মুক্তার পুর এবং পঞ্চবটী থেকে চাষাড়ার রাস্তার এমন বেহাল দশার মুলে এই উড়াল সেতু। আর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় তাদের ইচ্ছে মত কাজ করে যাচ্ছে যা পঞ্চবটী থেকে মুক্তারপুর, বক্তাবলী, কাশিপুর, এনায়েতনগর, পোস্তগোলা যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষের চমর দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
পঞ্চবটীতে এক পথচারী বলেন এই উড়াল সেতু মানুষের জন্য করা হলে ও এখন মানুষ ভোগান্তিতে অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। শুনলাম আগুনে জ্বলসে যাওয়া ছেলেটা আজ মারা গেছে। কে নিবে এই ছেলের মৃত্যুর দায়ভার কেউ নিবেনা। তাহলে আমরা এমন উন্নয়ন দিয়ে কি করবো যে উন্নয়ন মানুষের জীবন কেড়ে নেয়।
পঞ্চবটী মোড় দিয়ে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ মনে করেন নিরাপদ চলাচলের হন্য ব্যবস্থা করে দেওয়া জরুরি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেনো সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে এই মৃত্যুর ন্যায় বিচারের ব্যবস্থা করেন।